Total Pageviews

Wednesday, 2 February 2022

আমাদের স্মৃতি সত্তা

 

 

 আমাদের স্মৃতি সত্তা

মৌসুমী বিলকিস


[আমার বরই শুধু নন তিনি, সব থেকে কাছের বন্ধু এবং কখনও  কখনও  সহকর্মীও। আমরা ভাগাভাগি করেছি যাবতীয় ভাললাগা, রাগ, দুঃখ, ক্ষোভ, বর্বরতা এবং আদরও । ভুল হলে ক্ষমাও করেছি পরস্পরকে। তাঁর মৃত্যুর পর এই প্রথম ঘর ছেড়ে বেরোনো, সেই তাজপুরে যেখানে বন্ধুদের সঙ্গে আমাদের শেষতম যৌথ ভ্রমণ। এই লেখা তাই উৎসর্গ করছি তোমাকে, রাজা বিশ্বাস (২৮ ডিসে, ১৯৭৪ - ৩০ নভে, ২০২০)]

 

এই সেই তাজপুর, মৃদু হাওয়া আর রোদে ভিজে থাকা তাজপুর, আমাদের চোখের সামনে কেমন পাল্টে পাল্টে যাচ্ছে। এই সেই সমুদ্র, তারযন্ত্রের শৃঙ্খলাবদ্ধ শব্দের মতো ঢেউগুলো ক্রমাগত ছুঁয়ে যাচ্ছে তটরেখা আর দুঃসাহসী জেলে নৌকাগুলো হারিয়ে যাচ্ছে দূরে।

আমরা এসেছিলাম, কতবার যে! এই নোনা জল মেখে, এই হাওয়া ও রোদ জড়িয়ে আমরা হেঁটেছিলাম খাঁড়ির দিকে আর দেখেছিলাম ওপারে মন্দারমনির ধোঁয়াটে আবছায়া ক্যাজুরিনা, কুড়িয়েছিলাম ভীষণ অপ্রত্যাশিত ছোট ছোট তিনটে কড়ি, ভেজা বালির ভেতর মুখ গুঁজে পড়ে থাকা তিনটে কড়ি, গভীর সমুদ্রের গান বয়ে এনেছিল আমাদের কাছে। ওদের দেখতে দেখতে আমার ডান হাতের তালুর ভেতর বিস্ময়ে ঝুঁকে পড়েছিলে তুমি, কেননা এই তটরেখায় কড়ি আমরা আগে পাইনি কখনও।        

আমি যখন একটু দূরে বালির ভেতর ছোট ছোট গর্ত থেকে উঠে আসা রোদ পোহানো, দুই অ্যান্টেনা খাড়া লাল কাঁকড়াদের দেখছিলাম এটা জেনেই যে কাছে গেলেই সুড়ুত করে ঢুকে যাবে গর্তে, ঠিক তখনই তুমি কুড়িয়ে নিয়েছিলে বালির ওপর পড়ে থাকা সাদা একটা পালক, বকেরই হবে বুঝি; উপহার দিয়েছিলে আমাকে আর আমি খুশিতে ডগমগ। এই নিয়ে তোমার দেওয়া কয়েকটা পালক জমলো। সেই যে ছোট্ট পালকটা, বলেছিলে প্যাঁচার; মনে আছে?

ও! না! তুমি চেতন ও অবচেতন রেখা ছাড়িয়ে চলে গেছ, চিরদিনের জন্য। অথচ এখনও আমার স্পর্শের ভেতর, আমার কথার সন্নিকটে, আমারই চেতনায়, আমারই শ্বাসের স্পর্শে, আমারই বেদনায়, তুমি। 

আরেক বার এনেছিলে বেশ বড়সড় একটা পালক, ঈগল জাতীয় কারও হবে বুঝি। বন্ধুর সঙ্গে যতবার পাখি দেখতে গেছ ততবার আমার ছিল একটাই আব্দার, ‘পালক চাই কিন্তু।’ আর প্রায় প্রত্যেকটি পাখি-ট্রিপ থেকে ফিরে প্রেমিকাকে হীরের নেকলেস দেওয়ার ভঙ্গিতে প্রেমে গদগদ হয়ে আমার দিকে এগিয়ে দিয়েছো পালক আর হীরের দ্যুতিই যেন ছড়িয়ে পড়েছে আমার চোখে। অনেক ঝড়জল, ধুলোবালি পেরিয়ে এখনও সেইসব পালক রেখেছি যত্নে বা অযত্নে – এসব তুমি জানতে।

প্রেমিক হিসেবে জুড়ি নেই তোমার, কত বার বলেছি, আবারও।    

সব মনে পড়ে যাচ্ছে, এই তাজপুরের তটরেখায় পা ডুবিয়ে হাঁটতে হাঁটতে থমকে যাচ্ছি স্মৃতির ভেতর।   

আমাদের যৌথ স্নান, তুমি-আমি-বন্ধু-বান্ধবী ও বোনেরা; কত বার কত যৌথ স্নান এই তাজপুরে, মজা করে বালি মাখামাখি, নোনা জল ছুঁড়ে ছুঁড়ে ভেজা পরস্পরকে আবার ভেজানো, খুনসুটি।

সব মনে পড়ে যাচ্ছে। সব বুঁদ হয়ে আছে নিহিত বেদনার অন্দরে, সব স্নান, সব অবগাহন, সব হাঁটাহাঁটি, স…ব, সবকিছু।

এবার আর জল ছুঁতে পারিনি তাই। এইসব স্মৃতি, এইসব বিষণ্ণতা, এইসব জলজ মুহূর্ত বুকে নিয়ে এতদিন পর ঘরের কোণ থেকে, কলকাতা থেকে জোর করে বেরিয়ে পড়লাম, আমাদের শেষতম ভ্রমণ বিলাস ছুঁয়ে দেখবো বলে। অথচ এই তাজপুরে আজ একাকী হাঁটতে হাঁটতে চোখ ভিজে যাচ্ছে বার বার। এইসব লিখতে বসেও ঝাপসা হয়ে আসছে অক্ষর। জানো?

ও! তুমি আর কখনও কিছুই জানতে পারবে না। 

তোমার আর মনে পড়ার কথাই না যে আমরা কতবার ছিলাম এই ‘নেচার ক্যাম্প’-এ যেখানে আমি আছি, ওদের সুস্বাদু খাবার খেতে খেতে কত গল্পই যে করেছিলাম আর আমাদের একান্ত গোপন স্পর্শে জেগে উঠেছিল বিছানার চাদর, জেগে উঠেছিল মধ্যরাত।

তোমার মনে পড়ার কথাই না যে আমরা প্রথম যখন তাজপুর আসি ‘নেচার ক্যাম্প’-এ ছিল কি সুন্দর কয়েকটা তাবু। আশপাশ একেবারে ফাঁকা তখন, এত গায়ে গায়ে যাত্রীনিবাস হতে যাচ্ছে প্রথম বার কল্পনাই করতে পারিনি আমরা। আর ঠিক সামনের মেঠো রাস্তার দু’ধারে কেয়া গাছের জঙ্গল যেন সজীব সবুজ দেয়াল আর সেই রাস্তা সোজা গিয়ে পড়েছে সমুদ্রে আর গ্রামের লোকেরা গরু চরাতে যেত এবং সূর্য ডুবলে ধুলো উড়িয়ে গরু নিয়ে ফিরে আসতো যে রাস্তায়, যে রাস্তা দিয়ে সমুদ্রের কাছাকাছি গেলে- কি নির্জন! শুধু তুমি আর আমি। অনেক দূরে, অনেকটা দূরে হয়তো দু একজন স্নান করছে আর কচ্চিৎ বিচ ধরে সাইকেল চালিয়ে আসছে স্থানীয় কেউ, কোনও জেলে হয়তো ঠিক তখনই নৌকা ভেড়ালো মাছ ধরা শেষ করে।

সেই কেয়া জঙ্গল নেই আর, সেই রাস্তা এখন ঝকঝকে পিচের, সেই নির্জন সমুদ্র তট এখন কংক্রিটের জঙ্গলে ভরে গেছে, ভ্রমণ পিপাসুর সুবিধার জন্য নানান স্ট্রাকচার।

‘নেচার ক্যাম্প’-এর তাবুতে রাত যাপন, তুমি কিছুক্ষণের জন্য তাবুর বাইরে, আমি ব্যাগ থেকে বের করেছি গোপনে নিয়ে আসা গোলাপ পাপড়ি, পাপড়িতে ভরিয়ে দিয়েছি সাদা চাদর আর তুমি তাবুতে ঢুকে একেবারে চমকে গেছ, চোখ বড়বড় করে গদগদ ভঙ্গিতে হাসছো। এত শীত! আর আমাদের এত উষ্ণতার পরেও পাপড়িগুলো শীতে জমে এত শীতল হয়ে যেতে পারে! এ কথা আমরা জেনেছিলাম মধ্যরাত পেরিয়ে যখন টের পেলাম পাপড়িগুলোর শীতল স্পর্শ। তাবুতে সেদিন রাত না কাটালে, গোলাপের পাপড়ি সঙ্গে না নিলে গোলাপ-পাপড়ি বিষয়ক এই অনুভূতি আমরা জানতেই পারতাম না কখনও। না জানলেও যে ক্ষতি হত তেমন নয়, কিন্তু খুব আনন্দ পেয়েছিলাম আর ভাগ করে নিয়েছিলাম দুজনে। 

আর এবারই প্রথম জানতে পারলাম সেইসব তাবু আয়লায় উড়ে যায় আর তাবুর আশেপাশের গাছপালারও ক্ষতি হয়। ফলে তাবুর ভাবনা ছেড়ে দিয়ে নতুন ঘর বানাতে হয়। কিন্তু শেষ বার তুমিআমি যে ঘরে ছিলাম সেটা আছে এখনও। না, ওই ঘরে আমি থাকিনি এবার। ওই ঘরের দিকে তাকালেই কত স্মৃতি ভিড় করে আসছে যে। সামনের গাছগুলোয় টাঙানো দোলনা, তুমি একটু টেনে ধরে দুলিয়ে দিয়েছিলে, সেই গাছগুলো আম্ফানে পড়ে গেছে, দোলনাটা নেই।

এক অপ্রাকৃত অনুভূতি নিয়ে বিচ থেকে ফিরে ‘নেচার ক্যাম্প’-এর ডাইনিং রুমটায় রাতের খাবার খেতে খেতে আমরা কত আড্ডা দিয়েছি, অনেক রাত পর্যন্ত। যে যা খেতে চেয়েছি ওদের রান্নাঘর থেকে ঠিক সময়ে পৌঁছে গেছে টেবিলে। শেষতম ভ্রমণে ইরমট্রডের আনা চেক রিপাবলিকের মধু-কেক ভাগ করে খেয়েছি সবাই। 

সেই ডাইনিং রুমে খাচ্ছি, আর বার বার ফিরে আসছো তুমি, আমার চেতন জগতের কোলাহলেও।    

আমরা বসেছি কত বার বিচের দোকানগুলোর লাল চেয়ার-টেবিলে, দুপুরের হাওয়া ঘিরে ধরেছে আমাদের, আর আমরা যারা ডাবের জল মেশানো পানীয় ভালবাসি তাদের হাতে হাতে ধরিয়ে দিয়েছো গ্লাস, ভাজাভুজি আর ডাবের শ্বাস, কেউ কেউ পানীয় শেষ করে নেমে গেছে জলে, কেউ কেউ টেবিল ঘিরে গল্পে মশগুল, আর এসবের একটা নিকনেম দিয়েছিলে, বন্ধুরা জানে, ‘লাইট করে’, আমাদের পানীয় বিলাসের নামই হয়ে উঠেছিল তাই ‘লাইট করে’, তোমার কল্যাণেই, যেভাবে বন্ধুদের বা কোনও বিষয়ের ঠিক একটা নিকনেম দিয়ে দিতে তুমি, আর সেসব হত মজার এবং কখনও কখনও ‘অশ্লীল’ও।

সেই দোকানগুলোর একটায় এখন চা খেতে খেতে সেইসব মনে পড়ছে খুব।  

সমুদ্রতটে যতদূর নোনা জল আসে সেটুকু ছাড়িয়ে আমরা দেখেছিলাম সারি সারি কেয়ার ঝাড়, তার পাশেই ক্যাজুরিনা জঙ্গল, জঙ্গলে নানান বুনো গাছ। এবার কেয়া গাছ দেখলাম দু’একটা জানো! কিন্তু সব পাতা শুকনো, শুধু দু’একটি সবুজ; আর আম্ফান এবং ইয়াস-এর দাপটে ওল্টানো কিছু শুকনো ঝাউগাছ এখনও পড়ে আছে কোথাও কোথাও, ঝাউগাছের শুকনো ডাল জড়ো করে মাথায় বয়ে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় মেয়েরা, একেকটা বোঝা কত ভারি হবে বল তো? মনে হচ্ছে কুড়ি বা তিরিশ কেজির মাঝামাঝি।

আমি নিশ্চিত এত ভারি তুমি বইতে পারতে না, আমিও না। জেন্ডারের দোহাই দিও না প্লিজ, সবটাই অভ্যেস। এই স্থানীয় মেয়েরা আমাদের কলকাত্তাইয়া বাবু পুরুষদের তুলনায় অনেক অনেক গুণ খাটতে পারার ক্ষমতা রাখে। হুঁ হুঁ বাবা, একদম তক্ক করবে না। পুরুলিয়াতেও কত মেয়েদের ভারি কাঠের বোঝা বইতে দেখেছি তুমিআমি আর শিয়ালদার কোলে মার্কেটেও। ফলে জেন্ডার স্পেসিফিক কাজকর্ম খুবই আপেক্ষিক ব্যাপার স্যাপার, আর এ বিষয়ে কত কথা কত বার বলে ফেলেছি আমরা আর তাতেই যে কথাবার্তা মিটে গেছে তেমনটাও নয়। কিন্তু তোমার সঙ্গে সব কথা যে একপাক্ষিক হয়ে দাঁড়ালো! এটা কি অসহনীয় নয়, বলো? 

অসহ্য! 

তুমি! 

অসহ্য এখন এই সূর্যাস্তের আলো!

সমুদ্র আর ভেজা বিচের ওপর উপচে পড়েছিল রং আর সেই রঙের ভেতর দিয়ে হেঁটেছিলাম আমরা, হাত ধরাধরি করে নয়, একটু তফাতে, আর ভেজা বিচের ওপর জেগেছিল আমাদের প্রতিবিম্ব এবং অন্যদেরও, জাল কাঁধে মাছ ভর্তি ব্যাগ হাতে ফেরা জেলে-মাঝিভাইদেরও শীতে কাঁপা প্রতিবিম্ব দেখেছিলাম আমরা; যদিও গোধূলি আমাদেরও দিয়েছিল লালচে আভা, আর আমরা তা বয়ে এনেছিলাম কলকাতা পর্যন্ত আমাদের দৈনন্দিন মলিনতায়, আর কতদিন, কত কত দিন আমাদের ভেতর পর্যন্ত আলোকিত হয়ে সুপ্ত পুলক হয়ে জেগেছিল তা। আজ সব মনে করতে পারি।

মনে পড়ছে, আবছা অন্ধকারের ভেতর আমরা হেঁটেছিলাম সমুদ্রের পাড় ধরে, আর শুনেছিলাম অবিরাম ঢেউ, আর তখনও বিচের দোকানগুলো খোলা, আর আকাশ ফুঁড়ে জ্বলজ্বল করছে কিছু কিছু তারা এবং চাঁদও ভেঙে পড়ছে সমুদ্রের জলে, আর সহনীয় বাতাসের ঝাপটায় উড়ছে বসনপ্রান্ত, মুক্ত চুলের গাছি, আর আমাদের একান্ত মুহূর্ত। আমরা একমুখী সময়ের ভেতর দিয়ে সাঁতরে সাঁতরে চলে যাচ্ছি কোথায় যেন, আর মুহূর্তগুলো হিম হয়ে পড়ে থাকছে পিছনে, তুমি হারিয়ে যাচ্ছ, জমে যাচ্ছে সময়; আমি কিছুতেই সাঁতরে সাঁতরে পিছনে পৌঁছতে পারছি না, ধরতে পারছি না সেইসব মুহূর্তগুলো যখন আমরা পরস্পরকে স্পর্শ করে, পরস্পরের উষ্ণ নিঃশ্বাসে।

-----------------------------------------

এই ভ্রমণের জন্য কৃতজ্ঞতা: বন্ধু নীল চট্টোপাধ্যায়, তার স্ত্রী মৌ এবং তাদের দুই মেয়ে গোল্লু ও ছোটু; নীলের বন্ধু নন্দনদা ও জয়দা। এবং রাজার  সঙ্গে তাজপুর ভ্রমণসমূহে আমাদের সঙ্গের বন্ধুসকল ও পরিবারের সদস্যরা। 

-------------------- 

ছবি: লেখক, ইরমট্রড, সুকল্যাণ, নীল প্রমুখ। 

--------------------   

জানু ২৭-২৯_২০২২, তাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ  

      

                                                      দুনিয়ার সঙ্গে। শীতকাল, ২০১৯ 

তাজপুরে সূর্যাস্ত। শীতকাল, ২০১৯ 


নীল, সুকল্যাণ, মঞ্জুরি, মৃন্ময়ী, দুনিয়া, লেখক ও ইরমট্রডের সঙ্গে। শীতকাল, ২০১৯ 

তুমি। শীতকাল, ২০১৯


দুনিয়া, মৃন্ময়ী, মঞ্জুরি ও লেখকের সঙ্গে। শীতকাল, ২০১৯ 

মনীষা, সুমনা, মঞ্জুরি ও ইরমট্রডের সঙ্গে। শীতকাল, ২০১৫ 


আমরা। শীতকাল, ২০১৫ 


তুমি। শীতকাল, ২০১৫ 


মনীষা, সুমনা ও মঞ্জুরির সঙ্গে। শীত, ২০১৫ 


ইরমট্রড ও চালকের সঙ্গে। শীত, ২০১৫ 


ইরমট্রডের সঙ্গে। শীত, ২০১৫ 


নেচার ক্যাম্প। শীত, ২০২২ 
   

সৈকতে। শীত, ২০২২ 

 

    

    #RajaBiswas #Widow #Lonely #Silence #AfterDeath #Grief #Living&Dead #Life&Death #Memories #Togetherness #Couple #Single #KolkataWriting #BengaliWriting #Travel #TravelWriting #TajpurWestBengal #Tajpur #NatureCamp 

    

6 comments:

  1. রাজাদা মিশে থাকে সবকিছুতেই। রাজাদা মিশে থাক। অনেক ভালোবাসা তোমাকে মৌসুমিদি। তোমার লেখায় নতুন করে রাজাদাকে জানলাম।

    ReplyDelete
  2. অসাধারন এক সময়ের কথা,
    লেখা পড়ে মনে হলো গত কাল রাতে ফেরি এসে লেখা হয়েছে,
    খুব সুন্দর

    ReplyDelete
  3. রাজাদা তুমি ছাড়া আমার কোলকাতা কেমন যেন অসম্পূর্ণ। সবকিছু যেন “উৎখেচন”…

    ReplyDelete